অনলাইনে বিক্রয় বৃদ্ধির ৭টি কার্যকরী কৌশল || 7 Ways to Increase Sales on Internet

যেকোনো বাণিজ্যের জন্য প্রচারণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।যত ভালো পণ্য বা সেবা আপনার থাকুক না কেন, গ্রাহকরা যদি সেগুলো সম্পর্কে নাই জানতে পারেন তাহলে বিক্রয় বৃদ্ধি পাবে না।ইন্টারনেটের সাহায্যে আপনি সহজেই গ্রাহকদের কাছে আপনার পণ্য বা সেবা গুলো পৌছে দিতে পারেন।তা সঠিকভাবে করার জন্য আপনাকে সঠিক কৌশল অবলম্বন করতে হবে।


অনলাইনে প্রচারণার জন্য অনেক ধরনের মাধ্যম রয়েছে।সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিটি হলো ফেসবুক পেইড ক্যাম্পেইন, যা এখন কমবেশি সবারই জানা।এছাড়াও রয়েছে গুগল এডওয়ার্ড।এই পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে আপনি বিনিয়োগ করে বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে গ্রাহক পেতে পারেন।কিন্তু এগুলো ছাড়াও আরও অনেক কার্যকরী কৌশল রয়েছে যেগুলো সম্পর্কে অনেকেই জানে না।


ফলে তাদের বাণিজ্য শুধুমাত্র ফেসবুক নির্ভর হয়ে উঠেছে। যদি আপনার বাণিজ্য একটি উৎসের উপর নির্ভরশীল থাকে তাহলে আপনি যেকোন সময় বিপদে পড়তে পারেন।তাই আপনার উচিত বাণিজ্য প্রসারে একাধিক উৎস তৈরি করা।আজকের এই আর্টিকেলটিতে তেমনই কিছু বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল এবং কিছু ভিন্নধর্মী প্রচারণার কৌশল বা উৎস সম্পর্কে জানতে পারবেন যা আপনাকে নতুন নতুন গ্রাহক বা ক্লায়েন্ট পেতে সহায়তা করবে।




ক্লায়েন্ট এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুনঃ

আপনাকে একটি ঘটনা বলি। যখন আমি ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে কাজ করতাম তখন একবার ফেসবুকে কিছু প্রতিষ্ঠানকে খুঁজে বের করি।লক্ষ্য করলাম তাদের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠান সঠিকভাবে ফেসবুক ক্যাম্পেনগুলো চালাতে পারছেনা।


তারা ঠিকই বিজ্ঞাপনে অর্থ খরচ করছিল কিন্ত অনেক অনেক ভুলত্রুটি ছিল। আমি তাদেরকে ভুলগুলো ধরিয়ে দিয়ে মেসেজ করলাম। সাথে এও বলে দিলাম কিভাবে করলে আরো ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

অনেকেই রিপ্লাই দেয়নি।কিন্তু পরবর্তীতে লক্ষ্য করলাম তারা আমার দেয়া পরামর্শগুলো অনুসরণ করছে।যা সত্যিই ভালো লাগার মতো।পরবর্তীতে সেগুলোর মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠান আমার সাথে যোগাযোগ করে।তারা ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে আমার থেকে আরো কিছু ফ্রি পরামর্শ নেয়।


কিছুদিন পর তারা আবার আমার সাথে যোগাযোগ করে এবং তাদের বিজ্ঞাপনগুলো পরিচালনা করার অফার দেয়।সেই প্রতিষ্ঠানটিতে ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে চুক্তিভিত্তিক কাজ করে আমার প্রায় ২ হাজার ডলারের মতো উপার্জন হয়েছিল।


আরো পড়ুনঃঘরে বসে ব্যাবসা || কোটিপতি হওয়ার মত ২০টি ই-কমার্স ব্যবসা আইডিয়া


এই কৌশলটি অবলম্বন করে ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট এবং এসইও সম্পর্কিত অনেক কাজ পেয়েছিলাম।তাদের মধ্য থেকে এখনো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে থেকে প্রায়ই কাজের অফার পাই।বিজ্ঞাপনে অর্থ খরচ না করেও যে ক্লায়েন্ট পাওয়া যায় তা বোঝানোর জন্য বিষয়টি বললাম। অন্য সবার থেকে একটু ভিন্নভাবে চিন্তা করলে আপনি সহজেই নতুন নতুন ক্লায়েন্ট পেতে পারেন। আমি তেমন কিছুই করিনি।


আমার অভিজ্ঞতাকে পরিষেবা হিসাবে অফার করেছিলাম যার দ্বারা এই বিষয়ে আমি যে একজন অভিজ্ঞ তা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহজে বোঝাতে পেরেছিলাম। অনেক সময় আপনার কাছে অনেক ভালো দক্ষতা বা পণ্য থাকতে পারে।কিন্তু তা গ্রাহকদের কি ধরনের উপকারে আসতে পারে তা গ্রাহক নাও জানতে পারে।তাই আপনি যখন ফ্রি স্যাম্পল তাদেরকে অফার করবেন তখন তারা তার উপকারিতা বুঝতে পারবে এবং পরবর্তীতে তা কিনে নেবে।


এজন্যই লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন ছোট-বড় অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য ও সেবার ফ্রী স্যাম্পল গ্রাহকদেরকে দিয়ে থাকে।কারণ তারা জানে একবার যদি গ্রাহক সেবাটি উপকারিতা করতে পারে তাহলে পরবর্তীতে তারা তা কিনে ব্যবহার করবে। তাই গ্রাহকরা আপনার কাছে আসবে সেই অপেক্ষায় বসে না থেকে বরং আপনি নিজে তাদের সাথে যোগাযোগ করুন। প্রথমেই উপার্জনের কথা চিন্তা না করে মূল্যবান কোন ভ্যালু প্রদান করার চেষ্টা করুন।


এতে আপনি যে একজন এক্সপার্ট তা সহজে বোঝাতে পারবেন। যা পরবর্তীতে আপনার জন্য অনেক লাভজনক হতে পারে। প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ফেইসবুক পেজ বা ওয়েবসাইট রয়েছে। যার মাধ্যমে আপনি সরাসরি আপনার টার্গেটেড ক্লায়েন্ট খুঁজে বের করে যোগাযোগ করতে পারেন।


কনটেন্ট মার্কেটিংঃ

কন্টেন্ট মার্কেটিং একটি এভারগ্রীন ডিজিটাল প্রচার পদ্ধতি যার সঠিক ব্যবহারে আপনি বিজ্ঞাপনে অর্থ খরচ না করেও অনেক গ্রাহক পেতে পারেন।আমার এক ক্লায়েন্ট বিউটি কেয়ার পণ্য নিয়ে একটি অনলাইন শপ শুরু করেছিল। কিন্তু বিজ্ঞাপনে অর্থ বিনিয়োগ করার মত এত বাজেট তার ছিল না।আমার কাছে পরামর্শ চাওয়ায় তাকে বললাম কন্টেন্ট মার্কেটিং এ গুরুত্ব দিতে।তারপর সে তার ই-কমার্স ওয়েবসাইট একটি ব্লগ সেকশন চালু করে।


সেখানে সে বিউটি কেয়ার সম্পর্কিত বিভিন্ন উপকারী আর্টিকেল প্রকাশ করতে শুরু করে।এমন না যে সে বিউটি কেয়ার সম্পর্কে অনেক অভিজ্ঞ।গুগলে সার্চ করলে এই সম্পর্কে অনেক টিপস ট্রিক্স পাওয়া যায়।সেখান থেকে সে বিষয়গুলো জেনে তার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করত।কয়েক মাসের মধ্যেই ফেসবুক থেকে অনেক গ্রাহক তার ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে শুরু করে।এভাবেই সে কন্টেন্ট মার্কেটিং কাজে লাগিয়েছে প্রতিদিন নতুন নতুন গ্রাহক পেতে শুরু করে।


লক্ষ্য করলে দেখবেন ফেসবুক আপনাকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট রেকমেন্ড করে। যে বিষয়ে আপনার আগ্রহ রয়েছে সেই বিষয়ক আর্টিকেল গুলো আপনার ফেসবুক ওয়ালে দেখতে পাবেন।আপনি ওয়েবসাইটে কনটেন্ট প্রকাশ করে তা ফেসবুকে শেয়ার করতে পারেন। এতে অর্গানিক্যালি আপনার ওয়েবসাইটে গ্রাহকরা ভিজিট করতে থাকবে এবং বিক্রয় বৃদ্ধি পাবে।


কনটেন্ট মারকেটিং দারুণ একটি উপায় গ্রাহকদের কাছে পৌছানোর জন্য।আপনার প্রকাশ করা কন্টেন্টগুলি গ্রাহকদের সেবাগুলো খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।তাই আপনার গ্রাহক কারা,তারা কোন বিষয়ে আগ্রহী, এই বিষয়গুলো বোঝার চেষ্টা করুন।সেই সম্পর্কিত উপকারী আর্টিকেল প্রকাশ করুন। এতে গ্রাহকদের মাঝে আপনার একটি ব্র্যান্ড এবং বিশ্বাস তৈরি হবে। এছাড়া অর্গানিক ভাবে দীর্ঘ সময় ধরে আপনাকে নতুন নতুন গ্রাহক পেতে সাহায্য করবে।


সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)ঃ

সামাজিক মাধ্যমের পাশাপাশি অনলাইনে প্রচারণার আরো একটি উপায় হচ্ছে এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।আপনার ওয়েবসাইটের আর্টিকেলগুলো গুগল সার্চ পেজে আসলে সেখান থেকেও অনেক অর্গানিক গ্রাহক পাবেন। আর গুগল-সার্চে  কনটেন্টকে শো করাতে ওয়েবসাইটের এসইও করতে হয়।


Searchenginejournal সূত্র মতে গুগলের প্রতি মিনিটে প্রায় 38 লক্ষ মানুষ বিভিন্ন বিষয় খুঁজে পেতে গুগল সার্চ ব্যবহার করে থাকেন।এসইও করার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের কনটেন্টগুলোকে গুগল সার্চে নিয়ে আসার চেষ্টা করুন।এতে গ্রাহকরা ফেসবুকের পাশাপাশি গুগল থেকে আপনার ব্র্যান্ডিং খুঁজে পাবে ফলে বিজ্ঞাপনে অর্থ খরচ না করেও নিয়মিত গ্রাহক পেতে থাকবেন।


ডিসকাউন্ট অফার করুনঃ


অর্থ কে না বাঁচাতে চায়?

তাই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলোতে আপনার পণ্য বা সেবার উপর ডিসকাউন্ট দিন।এতে যেমন আপনার পূর্বের গ্রাহকরা পুনরায় ক্রয় করবে,ঠিক তেমনি নতুন নতুন গ্রাহক ও পাবেন।ছাড়ের অফার থেকে আপনার লাভ নাও হতে পারে।


আরো পড়ুনঃ৯টি উপায়ে মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে ইনকাম করুন || Earn Money from online by mobile


তবে এতে অনেক ফ্রি প্রচারণা পাবেন।গবেষণায় দেখা গিয়েছে, গ্রাহকরা কোনো পণ্য ও সেবার অফার পেলে তা নিয়ে অন্যদের সাথে আলোচনা করে। ফলে অন্যরাও সেই পণ্য ক্রয় আগ্রহী হয়ে ওঠে।


এছাড়াও মুল্যছাড় পেলে মানুষের মধ্যে একটি বিষয়ের প্রতি মনোভাব সৃষ্টি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে মৌখিক প্রচারণা অন্যান্য যেকোন প্রচার পদ্ধতি থেকে অনেক বেশী কার্যকর। তাই প্রায়ই আকর্ষণীয় ছাড় দিন।


প্রতিযোগিতার আয়োজন করুনঃ

মানুষ একে অন্যের সাথে প্রতিযোগিতা করতে অনেক ভালোবাসে। এতে তাদের মধ্যে এক ধরনের বিজয়ের আনন্দ কাজ করে।আর এই বিশেষ আয়োজন গুলো সহজে ভোলা যায় না। মানুষ কখনোই বিজ্ঞাপন মনে রাখে না।


কিন্তু এ ধরনের প্রতিযোগিতার ফলে গ্রাহকরা আপনার ব্র্যান্ডকে ভুলতে পারবে না। তবে একটি বিষয় অবশ্যই লক্ষণীয়, প্রতিযোগিতা যেন খুব কঠিন না হয়‌প্রতিযোগিতা যত সহজ হবে ততো বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করবেন।


ধরুন আপনার একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে।যেখানে বার্গার,পিজা অফার করছেন।আপনার পেইজে গ্রাহকদের খাবার সম্পর্কিত একটি সহজ প্রশ্ন করতে পারেন বা বিভিন্ন বিশেষ দিন উপলক্ষে সেই বিষয়ক সাধারণ প্রশ্ন করতে পারেন।


এতে অনেকেই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার পাশাপাশি তাদের বন্ধুদের অংশগ্রহণে আমন্ত্রণ জানাবে।সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্য থেকে কিছু মানুষকে ফ্রী বার্গার অফার করতে পারেন।এতে আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে গ্রাহকদের মাঝে আলোচনা ও এঙ্গেজমেন্ট সৃষ্টি হবে‌।


অথচ এর থেকে অধিক পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেও গ্রাহকদের মাঝে এ ধরনের এঙ্গেজমেন্ট তৈরি করতে পারবেন না। তাই এক্সাইটিং ও আনন্দপূর্ণ প্রতিযোগিতার আয়োজন করুন।


অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংঃ

আপনার বাণিজ্যের মাধ্যমে অন্যান্যদের অর্থ আয়ের ব্যবস্থা করুন‌। অন্যরা যদি আপনার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারে তাহলে আপনার প্রতিষ্ঠানটি অনেক দ্রুত বেড়ে উঠবে। যা অ্যাফিলিয়েট পার্টনারের মাধ্যমে করতে পারেন।


ধরুন আপনি বার্গার অফার করছেন। আপনি প্রতিদিন একা একশো টি বার্গার বিক্রি করতে পারেন। এখন আপনি ১০০ জন অ্যাফিলিয়েট পার্টনার নিয়োগ দিলেন। তাদের মাধ্যমে যে পরিমাণ বিক্রয় হবে তার ২০ ভাগ লভ্যাংশ তারা পাবে।এখন সেই ২০০ জন যদি প্রতিদিন মাত্র ১০ টি করে বার্গার বিক্রি করে দেয় তাহলে প্রতিদিন ১০০০ টি বার্গার এবং আপনার ১০০ টি বার্গার অর্থাৎ মোট ১১০০ টি বার্গার বিক্রি হবে।


অর্থ উপার্জনের সুযোগ থাকায় আপনার পার্টনাররাই আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচার করবে‌। তাদেরকে মাসে-মাসে সম্মানী দেয়া প্রয়োজন হবে না।আমি একা আছি যেখানে প্রতিদিন মাত্র ১০০ টি বার্গার বিক্রয় করতেন সেখানে এখন পাটনার নেয়ার পর প্রতিদিন এগারোশো বার্গার বিক্রয় হচ্ছে।


এটি জাস্ট একটি উদাহরণ মাত্র।যেকোনো পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে অ্যাফিলিয়েট পার্টনার নেয়া যেতে পারে।যদি আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে ই-কমার্স সাইট তৈরি করে থাকেন তাহলে আল্টিমেট অ্যাফিলিয়েট প্লাগিনটি ব্যবহার করতে পারেন।এই প্লাগইনটির সাহায্যে আনলিমিটেড অ্যাফিলিয়েট যুক্ত করতে পারবেন।


আরো পড়ুনঃবিশ্বের শীর্ষ ধনী জেফ বেজোসের গল্প || জেফ বেজোসের জীবনী


মানুষ আপনার ওয়েবসাইটে অ্যাফিলিয়েট পার্টনার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে এবং তারা কি পরিমান বিক্রয় করছে তা নিজেরাই দেখতে পারবেন। অ্যাফিলিয়েট ম্যানেজমেন্ট করার জন্য যত প্রযুক্তির প্রয়োজন তার সবই প্লাগিনটিতে দেয়া রয়েছে।


ভিডিও বা ভিজুয়াল কনটেন্টঃ

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মানুষ অন্যান্য যেকোনো মাধ্যমের থেকে ভিডিও কনটেন্ট এর সাথে যুক্ত থাকতে বেশি পছন্দ করে।

আপনার কথাই চিন্তা করুন।আপনি প্রতিদিন কত ধরনের ভিডিও দেখেন।ভিডিও কনটেন্ট অত্যন্ত শক্তিশালী যদি সঠিকভাবে ভিডিও মার্কেটিং করতে পারেন তাহলে আপনার গ্রাহকের অভাব হবেনা।একটি সময় ছিল যখন শুধুমাত্র টেলিভিশনের মাধ্যমে মানুষ ভিডিও কনটেন্ট দেখার সুযোগ পেত।


কিন্তু এখন সামাজিক মাধ্যমগুলো হয়ে উঠেছে ভিডিও কনটেন্ট এর সবচেয়ে বড় উৎস। তাই আপনার পণ্য-সেবা অথবা আপনার গ্রাহকদের উপকারে আসতে পারে এমন সব তথ্য দিয়ে ভিডিও তৈরি করতে পারেন।সেগুলো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করে লাখ গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন।

💝💝💝💝💝💝💝💝💝💝💝💝💝

এই ছিল বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় ও কার্যকরী কিছু ডিজিটাল মার্কেটিং বা প্রচারণার পদ্ধতি।এই পদ্ধতিগুলো আপনি আপনার ব্যাবসায়ে পরিবর্তন দেখতে পাবেন। হয়তো সবগুলো পদ্ধতি একসাথে শুরুতেই অনুশীলন করতে পারবেন না।


তাই একটি করে অনুশীলন করুন।এমন সব কৌশল সম্পর্কে জানতে এই ওয়েবসাইটের সাথে যুক্ত থাকুন।অার্টিকেলটি কেমন লাগলো কমেন্টবক্সে অবশ্যই জানাবেন।কোনো বিষয়ে জানার থাকলে কমেন্ট করবেন।আমরা চেষ্টা করবো আপনার অজানা বিষয়টিকে আপনার সামনে তুল্ব ধরার জন্য।আজ এই পর্যন্তই।পরবর্তী কোন পর্বে আবারও কথা হবে।

ধন্যবাদ।


0 Comments

Post a Comment

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post