নতুন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের ৭টি কমন মিস্টেক || 7 Common Mistakes Affiliate Marketers Should Avoid

ব্লগিং হচ্ছে একটি লেখালেখির কাজ। আপনার যদি লেখালেখি করতে ভালো লাগে তাহলে আপনি ব্লগিং ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে পারেন।ব্লগিং ইন্ডাস্ট্রির একটি অংশ হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে মাসে ভালো পরিমাণে ইনকাম সম্ভব। কিন্তু কিছু কমন ভুলের কারণে  প্রায় ৮০% মানুষ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে সফল হতে পারে না। 


এই আর্টিকেলটিতে আমি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের সেরকম ৭টি কমন ব্লগিং ভুল নিয়ে কথা বলব যে ভুলগুলো বিশেষ করে নতুন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটাররা করে থাকে এবং এই ভুলগুলো যদি আপনি শুধরাতে পারেন তাহলে আপনি খুব সহজেই আফিলিয়েট মার্কেটিং ইন্ডাস্ট্রিতে সফল হতে পারবেন। তো চলুন আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।




১. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার প্রথম থেকেই ইনকাম করার চিন্তা করাঃ


প্রথমে যে ভুলটা নতুন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটাররা করে থাকে সেটা হলো শুরু করার সাথে সাথেই ইনকাম করার চিন্তাভাবনা করা। এটা খুবই কমন একটা ভুল এবং বিশেষ করে যারা নতুন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার তাদের মধ্যে শতকরা প্রায় ৮০ জন এই ভুলটা করে থাকে।যার কারণে তারা কিছুদিন কাজ করার পর যখন দেখে যে কোনো ইনকাম হচ্ছে না তখন তারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ছেড়ে দেয়। ফলে তারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ সফল হয় না।


দেখুন আপনি যদি একটা ভালো জব পেতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে ১০-১৫ বছর স্টাডি করতে হয়।তারপর আপনি একটা ভাল জব পান।ঠিক সে রকম ভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রেও আপনাকে যথেষ্ট টাইম দিতে হবে।আপনি প্রথম দিন থেকেই ইনকাম করতে পারবেন না।যদিও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে সফল হতে দশ পনের বছর অপেক্ষা করতে হবে না, যেমনটা একটা ভাল চাকরির জন্য করতে হয়।


তারপরও যদি আপনি নিয়মিতভাবে ৬-৭ মাস লেগে থাকতে পারেন তাহলে দেখবেন যে বছর শেষে একটা ভালো পরিমাণ ইনকাম আপনার জেনারেট হবে এবং পরবর্তীতে আপনার ইনকাম বাড়তেই থাকবে।


আপনাকে কন্টিনিউয়াসলি আপনার টপিকের উপর ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশ করে যেতে হবে।এরপর একটা নির্দিষ্ট সময় পর দেখবেন যে আপনার ইনকাম নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতে হবে না।আপনি যদি অন্যান্য ওয়েবসাইট গুলো ভিজিট করে দেখেন দেখবেন যে তারা গুগল এডসেন্স,অ্যাফিলিয়েট, স্পন্সরশীপ ইত্যাদির মাধ্যমে তাদের ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করছে।


তারা এই ইনকাম একদিনে করছে না।তারা ধৈর্য ধরে কন্টিনিউয়াসলি তাদের ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশ করে গিয়েছে এবং একটা নির্দিষ্ট সময় পর থেকে ইনকাম করা শুরু করেছে। তাই আপনি শুরুতেই ইনকামের চিন্তা-ভাবনা করলে সফল হতে পারবেন না।


২. অতিরিক্ত অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে জয়েন করাঃ


আপনার ওয়েবসাইটের যে বিষয় সেই বিষয়ের উপর ভালো ভালো ২-১টি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে জয়েন করুন।আপনি চাইলে আপনার একটি ওয়েবসাইট দিয়ে একাধিক অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে জয়েন হতে পারবেন।সবথেকে বড় বড় মার্কেটপ্লেস গুলো হচ্ছে আলীএক্সপ্রেস,আমাজন আলিবাবা,থিমফরেস্ট ইত্যাদি।


এছাড়াও অনলাইনে এত লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট রয়েছে যারা ও অ্যাফিলিয়েট পার্টনার নিয়ে থাকে। কিন্তু আপনার ওয়েবসাইটের বিষয়ে রিলেটেড একটা বা দুইটা অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ জয়েন করবেন। অতিরিক্ত অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে জয়েন না করে ভালো ভালো দুই-একটা অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে জয়েন করলে আপনি ভালো রেজাল্ট দেখতে পাবেন।


অনেকেই ওয়েবসাইটে কোনরকম কনটেন্ট ছাড়াই এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর জন্য এপ্লাই করে যার ফলে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই তারা রিজেক্ট হয়ে যায়।কোন কোম্পানি অ্যাফিলিয়েট পার্টনার নেওয়ার পূর্বে তারা দেখে নয় যে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে কোন ধরনের কনটেন্ট আর্টিকেল পাবলিশ করছেন।


অথবা আপনার ইউটিউব চ্যানেল থাকলে আপনি সেখানে কোন বিষয়ের উপর ভিডিও পাবেন করছেন এই বিষয়গুলো অ্যাফিলিয়েট পার্টনার নেয়ার সময় তারা ভালো ভাবে দেখে থাকে।আপনার ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেলকে তারা রিভিউ করার পরে অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভ করে দেয়।তাই কোন ওয়েবসাইটে অ্যাফিলিয়েট পার্টনারের যুক্ত করার পূর্বে অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশ করে নিবেন। আর্টিকেল পাবলিশ করার নির্দিষ্ট কোন অ্যামাউন্ট নেই।


আপনাকে জাস্ট ভালো ভালো আর্টিকেল আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করে যেতে হবে। আপনার ওয়েবসাইটে যখন আর্টিকেল থাকবে আপনি যেকোনো অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর জন্য এপ্লাই করতে পারবেন সেক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটে আর্টিকেল থাকলে আপনি প্রথম এপ্লাইতেই অ্যাপ্রুভ হয়ে যাবেন।আর যদি ওয়েবসাইটে কোন আর্টিকেল না থাকে সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনাকে বারবার রিজেক্টেড হতে হবে।


৪. এফিলিয়েট লিংক যেখানে সেখানে কপি পেস্ট করাঃ


নতুনরা আরও একটি যে কমন মিস্টেক করে থাকে সেটা হলো যেখানে সেখানে এফিলিয়েট লিংক শেয়ার করা।যেমনঃ ইউটিউব এর কমেন্ট সেকশন, ফেসবুকের কমেন্ট সেকশন অথবা কোন ওয়েবসাইটের কমেন্ট সেকশনে এসে এফিলিয়েট লিংক গুলো পেস্ট করা, ফেসবুকে যেখানে-সেখানে আফিলিয়েট লিংকগুলো পেস্ট করা ইত্যাদি। এগুলোকে একচুয়াল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয় না।


এগুলোকে বলা হয় স্পামিং। এই স্পামিং করার কারণে অনেকেরই একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যায়। এছাড়া যেখানে সেখানে অপ্রয়োজনীয়ভাবে এফিলিয়েট লিংক শেয়ার করলে আপনার তেমন কোনো বেনিফিট হবে না।কারণ আপনি যদি আপনার অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্টটির রিলেটেড কোনো জায়গায় বা রিলেটেড অডিয়েন্সের কাছে এফিলিয়েট পৌঁছাতে না পারেন তাহলে ওই লিঙ্ক থেকে কোনোরকম সেল হবে না এবং আপনিও কোন প্রফিট জেনারেট করতে পারবেন না।


উপরন্তু যেখানে সেখানে এফিলিয়েট লিংক পেস্ট করার কারনে আপনার একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যেতে পারে।এভাবে আপনি কখনোই আপিলের ইন্ডাস্ট্রিতে ভালো কিছু করতে পারবেন না। আপনি কন্টেন্ট লেখার মাধ্যমে সেখানে আফিলিয়েট লিংক দিন অথবা একটি ভিডিও তৈরি করে সে ভিডিওর ডেসক্রিপশন এ আপনি আপনার এফিলিয়েট লিংকটি দিন।


এতে করে আপনার আর্টিকেল পড়ে অথবা আপনার ভিডিও দেখে যদি আপনার অ্যাপেলের প্রোডাক্ট এর প্রতিকার ও ইন্টারেস্ট থাকে বা কারো প্রয়োজন পড়ে তাহলে সে আপনার এফিলিয়েট লিংকটিতে ক্লিক করে প্রোডাক্ট কিনে নেবে।


যেখানে-সেখানে অ্যাফিলিয়েট লিংক শেয়ার করার ফলে স্পামিং হবে এবং স্পামিং এর কারণে আপনার অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামের একাউন্টটি ডিজেবল হয়ে যেতে পারে।তাই এই কথাটি সব সময় মাথায় রাখবেন যে, যেখানে-সেখানে এফিলিয়েট লিংক পোস্ট করা যাবেনা।



৫. এফিলিয়েট লিংক দিয়ে ডিরেক্টলি পেইড প্রমোশন করাঃ


নতুন অ্যাফিলিয়েটরদের আরো একটি কমন ভুল হলো অ্যাফিলিয়েট লিংকটিকে ডিরেক্টলি পেইড প্রমোশন করা। এই কাজটি কখনোই করা যাবে না।Amazon,Alibaba,Aliexpress,Themeforest এগুলো বর্তমানে পৃথিবীর বড় বড় কম্পানি।এদের অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে জয়েন করে আপনি এফিলিয়েট লিংক গুলো যদি ফেসবুকে সরাসরি বুষ্ট করেন সেক্ষেত্রে আপনার অ্যাকাউন্টটি ডিজাবেল হয়ে যাবে।


এই কাজটি সরাসরি তাদের পলিসির বিপরীত। আপনি যদি এই কোম্পানিগুলোর অ্যাফিলিয়েট পলিসি পড়ে দেখেন সেখানে দেখবেন তারা সরাসরি এফিলিয়েট লিংক পেইড প্রোমোশনের মাধ্যমে বুস্ট করা সম্পূর্ণ নিষেধ করে দিয়েছেন। তাই এই বিষয়টি নিয়ে আপনি সতর্ক থাকবেন যাতে করে আপনার একাউন্ট একাউন্ট ডিজেবল না হয়।


আপনি চাইলে আপনার ওয়েবসাইটে আর্টিকেল লিখে সেখানে আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংকটি দিতে পারেন এবং আপনি আপনার ওয়েবসাইটের ওই আর্টিকেলটি ফেসবুকে বা অন্যান্য সাইটে পেইড প্রোমোশন করতে পারেন।তবে সরাসরি এফিলিয়েট লিংক টি কখনোই প্রোমোশন করা যাবে না। তাই অবশ্যই এফিলিয়েট লিংক টি সরাসরি পেইড প্রোমোশন করা থেকে বিরত থাকবেন।


৬. ওয়েব সাইটের ভিজিটরদের প্রোপারলি এনালাইসিস না করাঃ


আপনার ওয়েবসাইটে যখন ট্রাফিক বা ভিজিটর আসা শুরু করবে তখন আপনি অবশ্যই আপনার ট্রাফিকের ডাটাগুলো এনালাইসিস করবেন।যেমন ভিজিটরদের বয়স কত,কোন জেন্ডারের ভিজিটর আপনার সাইটে বেশি আসছে,কোন কোন দেশ থেকে বেশি ট্রাফিক আসছে,তারা কোন পেজটিতে বেশিক্ষন থাকছে ইত্যাদি এ সকল বিষয়গুলো ভালভাবে এনালাইসিস করবেন।


যাতে করে এই এনালাইসিস এর উপর ভিত্তি করে আপনি পরবর্তী কনটেন্টগুলো পাবলিশ করতে পারেন। ডাটা এনালাইসিস করার জন্য সবথেকে বেস্ট এবং ফ্রী টুল হচ্ছে Google Analytics । গুগল এনালাইটিক্স হচ্ছে গুগলের একটি। আপনার ওয়েবসাইটটি গুগল এনালাইটিক্স এর সাথে কানেক্ট করার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের ডাটাগুলো খুব সহজে এনালাইসিস করতে পারবেন।


কি ধরনের ভিজিটর আসছে,কোন কোন দেশ থেকে ভিজিটর আসছে,ছেলে ভিজিটর কি পরিমান আসছে,মেয়ে ভিজিটর কি পরিমান আসছে,তারা কোন ডিভাইস ব্যবহার করছে,তাদের বয়স কতো ইত্যাদি সকল বিষয়গুলো আপনি খুব সহজেই গুগল এনালাইটিক্স এর মাধ্যমে এনালাইসিস করতে পারবেন।এই ডাটাগুলো এনালাইসিস করার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ডিসিশন নিতে পারবেন যে, পরবর্তী কন্টেন্ট আপনি কি বিষয়ের উপর পাবলিশ করবেন।


৭. কন্টেন্ট এর মধ্যে অতিরিক্ত অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ব্যানার ব্যবহার করাঃ


অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলো ভিজিট করলে দেখবেন চারিদিকে শুধু অ্যাডভার্টাইজমেন্ট আর অ্যাডভার্টাইজমেন্ট।একটায় ক্লিক করলে আরেকটা পেজে নিয়ে যায় ওইখান থেকে আবার আরেকটা পেজে নিয়ে যায় মানে একদম হিজিবিজি একটা অবস্থা।


এগুলো খুবই বিরক্তিকর বিষয়।তাই এই ধরনের অতিরিক্ত ব্যানার এডস ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন।কারণ কেউই অ্যাডভার্টাইজমেন্ট লাইক করেনা। আপনার নিজের কথা চিন্তা করুন।আপনি নিজেও অ্যাডভার্টাইজমেন্ট দেখার জন্য কোনো ওয়েবসাইট ভিজিট করেন না।কোনো নির্দিষ্ট একটা তথ্য বা একটা বিষয় জানার জন্যই ওয়েবসাইট ভিজিট করেন। একটা তথ্য জানার জন্য কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে যদি দেখেন যে প্রচুর পরিমাণে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট শো করছে তাহলে আপনি নিজেও কিন্তু বিরক্ত হয়ে যাবেন। অ্যাডভার্টাইজমেন্ট আমরা কেউই পছন্দ করিনা। তারপরও ওয়েবসাইটে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট থাকা উচিত।তবে সেটা একটা লিমিট এর মধ্যে।


অতিরিক্ত হলে কারোই ভালো লাগবে না।তাই আপনিও আপনার কনটেন্ট এর মধ্যে অতিরিক্ত অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ব্যানার ব্যবহার করবেন না।এছাড়া গুগল এডসেন্সের পলিসি অনুযায়ী একটি পেজে সর্বোচ্চ তিনটি ব্যবহার করা উচিত।তিনটির বেশি এড ব্যবহার করলে পলিসি ব্রেক হবে এবং এর ফলে অ্যাড লিমিট হয়ে যেতে পারে এমনকি আপনার এডসেন্স একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যেতে পারে ‌।ইউজাররা আপনার ওয়েবসাইটে আপনার কনটেন্ট পড়তে আসে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট দেখতে আসে না।


অতিরিক্ত প্রফিট এর আশায় আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটে অতিরিক্ত পরিমাণে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রে ইউজাররাও বিরক্ত হবেন এবং দ্বিতীয়বার আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে না।ফলে আপনি বেশ বড় পরিমাণ একটা ট্রাফিক হাড়াবেন।তাই কখনোই ওয়েবসাইটে অতিরিক্ত পরিমাণে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ব্যানার ব্যবহার করবেন না।


♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️


তো এই ছিল নতুন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের ৭টি কমন ব্লগিং ভুল বা মিসটেক।আপনি যদি এই ৭টির কোনো একটি ভুল করে থাকেন, তাহলে সেই ভুলটি শোধরানোর চেষ্টা করুন।

এই আর্টিকেলটির বিষয়ে আপনার যেকোনো ধরনের মতামত কমেন্ট বক্সে অবশ্যই জানাবেন।এছাড়া যেকোনো ধরনের প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আমরা চেষ্টা করব আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য।

ধন্যবাদ।

0 Comments

Post a Comment

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post